৪ঠা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ| ১৮ই মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ| ১০ই জিলকদ, ১৪৪৫ হিজরি| দুপুর ১২:০৭| গ্রীষ্মকাল|
শিরোনাম :
সখীপুরে সংসদ সদস্যকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে পাঁচবিবিতে জনমতে আলোচনার র্শীষে শিখা। রাজবাড়ীতে হত্যা মামলায় চারজনকে যাবজ্জীবন, একজনকে বেকসুর খালাস রাজবাড়ীতে ওয়াসার প্রকৌশলীসহ ৫জনের বিরুদ্ধে গাছ চুরির মামলা বালিয়াকান্দিতে স্কুলে গিয়ে আনারস প্রতিকে ভোট প্রার্থনার অভিযোগ। ফেনী ডেভেলপমেন্ট কমিউনিটির ৩য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে র‍্যালী মহানবী (সা.)কে নিয়ে ক*টু*ক্তি করায় ফেনীর সবজির আড়তে বাদল নামের একজনকে গণধোলাই পাঁচবিবিতে উপজেলা নির্বাচনে প্রচার প্রচারনায় ব্যাস্ত প্রার্থীরা মোরেলগঞ্জে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন মোরেলগঞ্জে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

রাজশাহীর দুর্গাপুর ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন করেছে গ্রামবাসী

রবিউল ইসলাম রবি দূর্গাপুর প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ২৫৯ বার পঠিত

রাজশাহীর দুর্গাপুর ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন করেছে গ্রামবাসী

রবিউল ইসলাম রবি,দুর্গাপুর প্রতিনিধি (রাজশাহী)

আজ ২০ই সেপ্টেম্বর রাজশাহী জেলার দুর্গাপুর উপজেলার দেলুয়াবাড়ী ইউনিয়নের অন্তর্গত যুগিশো গ্রামবাসীর আয়োজনে অত্র গ্রামের বয়েন খামারু নামের এক মুক্তিযোদ্ধাকে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আখ্যায়িত করে মুক্তিযোদ্ধা তালিকা থেকে নাম বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।
উক্ত মানববন্ধনে যুগিশো গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ কয়েক’শত জণসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।

গ্রামবাসীর দাবি, যুদ্ধে অংশগ্রহণ না করেও টাকার বিনিময়ে জাল সনদে গেজেটে নাম নিয়ে আসা মুক্তিযোদ্ধা বয়ান খামারুর নাম মুক্তিযোদ্ধা তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে। অভিযুক্ত বয়েন খামারু যুগিশো গ্রামের মহসিন খামারুর ছোট ছেলে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, মহসিন খামারু মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পিস কমিটির সদস্য ছিলেন। তার বড় ছেলে জয়েন খামারু পিস কমিটির সাথে জড়িত ছিলেন বলে জানান সেখানে উপস্থিত সাধারণ মানুষ।

উক্ত মানববন্ধনে অংশ নেয়া এক ব্যক্তি জানান, অভিযুক্ত বয়েন খামারু কখনোই মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না বা তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণও করেননি। কিভাবে তার নাম মুক্তিযোদ্ধা তালিকাতে এসেছে তারা কেউই জানেন না।

মানববন্ধনে অংশ নেয়া স্থানীয় এক মুরব্বী জানান, আমি মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা করেছিলাম। ২০১০ সালে মুক্তিযুদ্ধে সাহায্যকারী হিসেবে নাম তালিকা তে অন্তর্ভুক্ত করতে গেলে কোন এক কারণে তা বন্ধ হয়ে যায়।

তিনি আরো বলেন, বয়েন খামারু মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না টাকার বিনিময়ে মুক্তিযোদ্ধা তালিকাতে নাম তুলেছেন। মুক্তিযোদ্ধার প্রাপ্য ভাতা উত্তোলন করেন।সারাদেশে এমন অসংখ্য ভুয়া মুক্তিযুদ্ধা রয়েছে যাদের আইনের আওতায় আনা উচিত।

যুগিশো ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন,আমি এই গ্রামেরই সন্তান এই গ্রামেই বড় হয়েছি বয়েন খামারু যে মুক্তিযুদ্ধ করেছে এটা কখনোই শুনিনি।কিছুদিন আগে যখন কোন এক বিষয়ে তদন্ত করতে এসে কয়েকজন লোক মুক্তিযোদ্ধা বয়ান খামারুর বাড়ির খোঁজ করে তখন এলাকাবাসী অবাক হয়ে যায়। সে কখনো মুক্তিযুদ্ধই করেনি সে মুক্তিযোদ্ধা কিভাবে হতে পারে।
আজ মানববন্ধনে অংশ নেয়া স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন,আমি এ বিষয়ে ডিসি মহোদয়সহ কয়েক জায়গায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি এবং দেলুয়াবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানও আমাকে বয়েন খামারু যে মুক্তিযুদ্ধ করেনি এই মর্মে প্রত্যয়ন দিয়েছেন।তাই আমি এ বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা বয়েন খামারুর নাম বাতিলের জোর দাবি জানাচ্ছি।

এলাকাবাসীর দাবি মুক্তিযুদ্ধ না করেও কিভাবে রাজাকারের ছেলের মুক্তিযোদ্ধার তালিকাতে নাম থাকে।এ বিষয়ে তারা কর্তৃপক্ষের কাছে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা বয়েন খামারুর নাম বাতিলের জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর